সবজির খেত্রে যদি মিলিব্যাগের আক্রমন
সবজির খেত্রে যদি মিলিব্যাগের আক্রমন
খেজুর গাছের শিকড় কেন এমন হয়
সর্বোচ্চ কুশি মানে সর্বোচ্চ ফলন
কৃষি ট্যাবলেট
লাউ চাষের প্রজেক্ট
লাউ চাষের প্রজেক্ট
ধান গাছের পোকা রোধে
মোজাইক ভাইরাসে আসলে কি করবেন
মরিচের ফুল ঝরা রোধে করণীয়
লাউয়ের সম্পূর্ণ আদর্শ স্প্রে শিডিউল ✅১. বীজ বপনের ৭-১০ দিন পর (প্রাথমিক সুরক্ষা) 🌱 এই সময় চারাকে গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা করা জরুরি। ছত্রাকনাশক: কার্বেন্ডাজিম (যেমন: নোইন বা অটোস্টিন) — ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে। কাজ: গোড়া পচা রোধ এবং চারার সতেজতা নিশ্চিত করা। ✅২. চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর (শাখা বৃদ্ধি ও পোকা দমন) 🌿 এই সময় লেদা পোকা বা পামকিন বিটলের আক্রমণ হতে পারে। কীটনাশক: সাইপারমেথ্রিন (যেমন: সাইপেরিন, রেলোথ্রিন) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। ছত্রাকনাশক: ম্যানকোজেব + মেটালাক্সিল (যেমন: রিডোমিল গোল্ড) — ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে। কাজ: পাতা পোড়া রোগ রোধ এবং পোকা দমন। ✅৩. ফুল আসার ঠিক আগে (৩৫-৪০ দিন পর) 🌼 ফুলের সংখ্যা বাড়াতে এবং মাকড় দমন করতে এই স্প্রে জরুরি। পিজিআর/ভিটামিন: ফ্লোরা বা মিরাকুলান — ১.৫ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। মাকড়নাশক: অ্যাবামেকটিন (যেমন: ভার্টিমেক) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। কাজ: অধিক স্ত্রী ফুল আনা এবং পাতা কোঁকড়ানো রোধ করা। ✅৪. ফল সেট হওয়ার সময় (৫০-৫৫ দিন পর) মাছি পোকা (Fruit Fly) দমনে এই সময় সবথেকে বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। কীটনাশক: ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন (যেমন: ক্যারাটে) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। সতর্কতা: মাছি পোকার জন্য অবশ্যই 'ফেরোমন ফাঁদ' ব্যবহার করবেন। স্প্রে দিয়ে মাছি পোকা ১০০% দমন করা কঠিন। ছত্রাকনাশক: পাউডারি মিলডিউ দমনে ৮০% সালফার (যেমন: থিওভিট) — ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে। ✅৫. ফল বড় হওয়ার পর (৭০-৭৫ দিন পর) 🍈 ফলের পচন রোধ এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই যত্ন নিতে হবে। ছত্রাকনাশক: ডাইফেনোকোনাজল + অ্যাজোক্সিস্ট্রবিন (যেমন: এমিস্টার টপ) — ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে। সার (সলোবর বোরন): ১.৫ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে (ফল ফাটা রোধে)। ✅৬. লাউ চাষের টুজি থ্রিজি কাটিং করতে হবে, এনিয়ে ভিডিও অনেক পেজে দেয়া হয়েছে। পেজের সাথে থাকুন আরো আরো অনেক পরামর্শ পাবেন শীঘ্রই৷ ⚠️ কিছু বিশেষ পরামর্শ স্প্রে করার সময়: সবসময় সকালে রোদ ওঠার আগে অথবা বিকেলে রোদের তেজ কমে গেলে স্প্রে করবেন। তীব্র রোদে স্প্রে করলে পাতা পুড়ে যেতে পারে ☀️🚫। সাবধানতা: বিষ প্রয়োগের পর কমপক্ষে ৭-১০ দিনের মধ্যে সেই সবজি তোলা বা খাওয়া যাবে না 🧪❌। মিশ্রণ: কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক একসাথে মেশানোর সময় আগে বালতিতে আলাদাভাবে গুলে নিয়ে তারপর ড্রামে মেশান।
মোজাইক অথবা জেমিনি ভাইরাস বেগুনের বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ক্ষতিকর রোগ।এই রোগের কারণে বেগুন চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কোন কিছুতেই সমাধান পাচ্ছেন না। রোগটি এতটাই খারাপ যে দ্রুত সমস্ত জমিতে ছড়িয়ে পড়ে, ফলন কমে যায় এবং বাজার মূল্য ও অনেক কম হয়। সম্পূর্ণভাবে সাড়ে না। তবে নতুন করে ছড়াবেনা ✅ পাকলু (সিমবায়োসিস কোম্পানী) প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ মিলি হারে স্প্রে ✅ বায়ো এনভির (ইস্পাহানী কোম্পানী) প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে স্প্রে এই রোগ মূলত ছড়ায় শোষকশ্রেণীর পোকার কারণে তাই জাবপোকা, থ্রিপ্স পোকা কন্ট্রোল করলেই এই রোগ ছড়াবেনা। এই পোকাগুলো কন্ট্রোল করতে ইমিডাক্লোরপিড গ্রুপের কীটনাশক ✅কনফিডর ✅টিডো ✅ ইমিটাফ এগুলো প্রতি লিটার পানিদে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। যদি কাজ না হয় তাহলে এসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক ✅ তুন্দ্রা ✅ নাইজ ✅ কার্টাপ্রিড ✅প্লাটিনাম প্রতি লিটার পানিতে ০.৫- ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। জমি পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখুন৷
👉 বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য ফ্রি কৃষি পরামর্শ ও সমাধান প্ল্যাটফর্ম
👉 “Ask experts. Solve crop problems. Improve yield.”