Timeline & Updates

Krishnapada Debnath

5 days ago

মোজাইক অথবা জেমিনি ভাইরাস বেগুনের বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ক্ষতিকর রোগ।এই রোগের কারণে বেগুন চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কোন কিছুতেই সমাধান পাচ্ছেন না। রোগটি এতটাই খারাপ যে দ্রুত সমস্ত জমিতে ছড়িয়ে পড়ে, ফলন কমে যায় এবং বাজার মূল্য ও অনেক কম হয়। সম্পূর্ণভাবে সাড়ে না। তবে নতুন করে ছড়াবেনা ✅ পাকলু (সিমবায়োসিস কোম্পানী) প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ মিলি হারে স্প্রে ✅ বায়ো এনভির (ইস্পাহানী কোম্পানী) প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে স্প্রে এই রোগ মূলত ছড়ায় শোষকশ্রেণীর পোকার কারণে তাই জাবপোকা, থ্রিপ্স পোকা কন্ট্রোল করলেই এই রোগ ছড়াবেনা। এই পোকাগুলো কন্ট্রোল করতে ইমিডাক্লোরপিড গ্রুপের কীটনাশক ✅কনফিডর ✅টিডো ✅ ইমিটাফ এগুলো প্রতি লিটার পানিদে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। যদি কাজ না হয় তাহলে এসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক ✅ তুন্দ্রা ✅ নাইজ ✅ কার্টাপ্রিড ✅প্লাটিনাম প্রতি লিটার পানিতে ০.৫- ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। জমি পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখুন৷

বেগুনের মোজাইক অথবা জেমিনি ভাইরাস

Krishnapada Debnath

2 weeks ago

বস্তায় আদা চাষ করার পদ্ধতি ও উপকরণের তালিকা

🌱 বস্তায় আদা চাষ করার পদ্ধতি ও উপকরণের তালিকা : 🥔 ​অল্প জায়গায় বা বাড়ির ছাদে খুব সহজেই বস্তায় আদা চাষ করা সম্ভব। একটি বস্তায় আদা চাষ করতে হলে নিচের উপকরণগুলো সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে: ​📦 প্রয়োজনীয় উপকরণ (প্রতি বস্তার জন্য): • ​বীজ আদা: ৫০-৬০ গ্রাম 🫚 • ​মাটি: ১২ কেজি 🪴 • ​জৈব সার: ৫ কেজি 🍃 • ​ভার্মিকম্পোস্ট: ১-২ কেজি ✨ • ​ছাই: ১ কেজি 🪵 • ​ইউরিয়া: ২০ গ্রাম ⚪ • ​টিএসপি (TSP): ২০ গ্রাম 🔘 • ​এমওপি (MOP): ১৫ গ্রাম 🔴 • ​দানাদার কীটনাশক: ৫ গ্রাম 🛡️ • ​দস্তা: ৫ গ্রাম 🧂 • ​বোরন: ৫ গ্রাম ❄️ ​🛠️ প্রস্তুত প্রণালী: ​১. মিশ্রণ: উপরের সবকটি উপকরণ একসাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। 🥣 ২. অপেক্ষা: মিশ্রণটি ১৫-২০ দিন ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিন যাতে মাটির গুণাগুণ ঠিক হয় এবং উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। ⏳ ৩. বপন: সময় পূর্ণ হলে মিশ্রণটি বস্তায় ভরে সেখানে আদার বীজ সঠিক নিয়মে বপন করুন।
View on Facebook

Krishnapada Debnath

2 weeks ago

পেঁপের বীজ থেকে চারা তৈরির সহজ উপায়

🥭 পেঁপের বীজ থেকে চারা তৈরির সহজ উপায় ​গ্রীষ্মকাল পেঁপের চারা তৈরির সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। ভালো জাতের পাকা পেঁপে থেকে মাত্র ২০-২৫ দিনেই ঘরে বসে তৈরি করতে পারেন শক্তিশালী ও দ্রুত বর্ধনশীল চারা। ঙ ✅​১. বীজ সংগ্রহ ও প্রস্তুতি ​সংগ্রহ: একটি সম্পূর্ণ পাকা ও সুস্থ পেঁপে থেকে বীজ সংগ্রহ করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন। ​শুকানো: ধোয়া বীজগুলো ১ দিন ছায়ায় শুকিয়ে নেওয়ার পর বপনের জন্য ব্যবহার করুন। ✅​২. মাটি প্রস্তুত (অনুপাত ২:১:১) ​পলিব্যাগে চারা তৈরির জন্য নিচের উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন: ​ঝুরঝুরে মাটি — ২ অংশ ​ভার্মিকম্পোস্ট — ১ অংশ ​মোটা বালি — ১ অংশ ✅​৩. বীজ বপন ও অঙ্কুরোদগম ​পলিব্যাগের মাটিতে ১ সেমি গভীরে বীজ বপন করুন। ​স্প্রে দিয়ে হালকা পানি দিন। ৭-১০ দিনের মধ্যে চারা গজাবে। ✅​৪. গ্রীষ্মকালীন যত্ন ও রোদ ​পানি: মাটি শুকিয়ে গেলে হালকা পানি দিন, অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না। ​রোদ: অঙ্কুর বের হওয়ার পর প্রতিদিন ৫-৬ ঘণ্টা সকালের রোদ দিন। ​স্থানান্তর: চারা বড় ও শক্তিশালী হলে বড় ড্রাম বা মাটিতে প্রতিস্থাপন করুন। ​🎯 প্রধান উপকারিতা: ​২০-২৫ দিনেই রোপণযোগ্য শক্তিশালী চারা তৈরি হয়। ​গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং অল্প সময়ে ফলন পাওয়া যায়।
View on Facebook

Krishnapada Debnath

3 months ago

#সরিষারক্ষতিকরপোকাদমন

View on Facebook

Krishnapada Debnath

3 months ago

ব্লাস্ট_রোগ,​#পাতাপোড়া_রোগ

View on Facebook

Krishnapada Debnath

3 months ago

বাংলাদেশে ধান চাষে সেচ সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব একটি চমৎকার পদ্ধতি হলো AWD (Alternate Wetting and Drying) বা পর্যায়ক্রমে ভেজানো ও শুকানো পদ্ধতি। এটি মূলত পানির অপচয় কমিয়ে ফলন ঠিক রাখার একটি বৈজ্ঞানিক কৌশল। ​নিচে AWD প্রযুক্তির বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ​১. AWD প্রযুক্তি কী? ​সাধারণত ধান খেতে সবসময় পানি জমিয়ে রাখা হয়। কিন্তু AWD পদ্ধতিতে সারাক্ষণ পানি জমিয়ে না রেখে মাটির ভেতরের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দেওয়া হয়। এতে একদিকে যেমন পানি সাশ্রয় হয়, অন্যদিকে গাছের শিকড় গভীরে গিয়ে ধান গাছকে মজবুত করে। ​২. প্রয়োজনীয় উপকরণ: 'পানি পাইপ' ​এই পদ্ধতির প্রধান সরঞ্জাম হলো একটি ২৫ সেমি (১০ ইঞ্চি) লম্বা এবং ৭-১০ সেমি (৩-৪ ইঞ্চি) ব্যাসের প্লাস্টিক বা পিভিসি পাইপ। পাইপটির নিচের ১৫ সেমি ছিদ্রযুক্ত থাকে এবং উপরের ১০ সেমি ছিদ্রহীন থাকে। ​৩. ব্যবহারের নিয়মাবলী ​পাইপ স্থাপন: চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর জমিতে পাইপটি এমনভাবে পুঁততে হবে যেন নিচের ছিদ্রযুক্ত ১৫ সেমি মাটির নিচে থাকে এবং উপরের ১০ সেমি মাটির ওপরে থাকে। ​পর্যবেক্ষণ: পাইপের ভেতরের মাটি সরিয়ে ফেলতে হবে যাতে ভেতরে পানি দেখা যায়। ​সেচ প্রদান: যখন পাইপের ভেতরে মাটির নিচে পানির স্তর ১৫ সেমি নিচে নেমে যাবে (অর্থাৎ পাইপের তলায় পানি থাকবে না), তখন জমিতে পুনরায় ৫ সেমি (২ ইঞ্চি) পরিমাণ সেচ দিতে হবে। ​চক্র পুনরাবৃত্তি: এভাবে পর্যায়ক্রমে জমি ভেজানো এবং শুকানো পদ্ধতি চলবে। ​৪. গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতা ​সব সময় এই পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে না। বিশেষ কিছু সময়ে জমিতে পানি রাখা জরুরি: ​চারা রোপণের পর: চারা স্থাপনের প্রথম ২ সপ্তাহ। ​ফুল আসার সময়: যখন ধান গাছ থোড় অবস্থা থেকে ফুল ফোটায় (Flowering stage), তখন জমিতে অবশ্যই ২-৩ ইঞ্চি পানি থাকতে হবে। ​আগাছা দমন: জমিতে আগাছানাশক দেওয়ার সময় বা নিড়ানি দেওয়ার সময় পানি থাকা প্রয়োজন

View on Facebook

Srot BD – Empowering Every Step of Agriculture

👉 বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য ফ্রি কৃষি পরামর্শ ও সমাধান প্ল্যাটফর্ম
👉 “Ask experts. Solve crop problems. Improve yield.”